Ticker

6/recent/ticker-posts

কিভাবে চার্লি চ্যাপলিন হয়ে উঠলেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ কমেডিয়ান | Charlie Chaplin Biography In Bengali | Positive stories

কিভাবে চার্লি চ্যাপলিন হয়ে উঠলেন বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ কমেডিয়ান | Charlie Chaplin Biography In Bengali | Positive stories


আমার ব্যাথা, বেদনা কারো হাসার কারণ অবশ্যই হতে পারে, কিন্তু আমার হাসি কখনো কোনদিন কারো ব্যাথা, বেদনার কারণ হতে পারে না। এই কথাটা বলেছিলেন এই দুনিয়ার সবথেকে খ্যাতনামা কমেডিয়ান চার্লি চ্যাপলিন।


Charlie Chaplin biography in bengali

চার্লি চ্যাপলিনের নাম আপনারা সকলেই শুনেছেন। কোন কথা না বলে শুধু শরীরের ভাষা দিয়ে পুরো দুনিয়াকে হাসানোর অদ্ভুত প্রতিভা চার্লি চ্যাপলিনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পরিপূর্ন ছিল। ছোট গোঁফ, মাথায় জাদুকরদের মতো টুপি, লম্বা জুতো, ঢোলা প্যান্ট, হাতে লাঠি এবং চলার একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি উনার পরিচয় বহন করে। যা আজোও মানুষের অন্তরে স্থিত হয়ে আছে।

চার্লি চ্যাপলিন কে ইতিহাসের সবথেকে মহান কমেডিয়ান মানা হয়ে থাকে। পুর দুনিয়াকে নিজের অভিনয় দ্বারা হাসানোর এই চেহারার পেছেন যে কত ব্যাথা, বেদনা লুকিয়া আছে তা খুব কম মানুষই জানেন। চার্লি চ্যাপলিনের জীবন ভীষন সংঘর্ষপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে তাকে ছোটবেলায় এমন দিনও দেখতে হয়েছে, যেখানে উনাকে দুবেলা খাবার জোগাড় করার জন্য খবরের কাগজ বিক্রি করা থেকে শুরু করে আর নানান ছোটখাটো কাজও করতে হয়েছে।

charlie chaplin biography in bengali
charlie chaplin biography in bengali

কিন্তু চার্লি চ্যাপলিনের ভাগ্য কিছু অন্য কথাই বলছিল। অত্যন্ত দারিদ্রতার মধ্যে থাকা চার্লি চ্যাপলিন এর জীবনে এমন একটা সময় আসে যখন তিনি আমেরিকার রাষ্ট্রপতি থেকেও বেশি অর্থ রোজগার করতেন। এবং আপনি জানলে আরো অবাক হবেন চার্লি চ্যাপলিন মহাত্মা গান্ধীর বিচার ধারার উপর এতটাই প্রভাবিত ছিলেন যে, উনার সাথে দেখা করার পর তিনি একটি সিনেমার নির্দেশনাও করেছিলেন।

চার্লি চ্যাপলিনের জন্ম হয় ১৬ এপ্রিল ১৮৮৯ সালে। উনার জন্মদিনের তারিখটাও একটা বিশেষ কারনে মনে রাখর মত। কারন উনার জন্মদিনের চারদিন বাদে জন্ম নেয় এডলফ হিটলার। চার্লি চ্যাপলিনের বাবা ছিলেন চার্লস স্পেনসার চ্যাপলিন এবং মা ছিলেন হান্না চ্যাপলিন। উনারা দুজনে এক মিউজিক হলে গায়ক এবং জুনিয়র আর্টিস্ট এর কাজ করতেন।

হান্না চ্যাপলিন কে একা একাই দুই ছেলে চার্লি চ্যাপলিন এবং উনার ভাই সিডনি চ্যাপলিন কে নিয়ে ভীষণ সংঘর্ষ করতে হয়েছিল। কারন চার্লি চ্যাপলিন এর বাবা ছিলেন মাতাল। তিনি তার আয় করা সব পয়সা মদেই উড়িয়ে দিতেন। যখন চার্লি চ্যাপলিনের বয়স মাত্র দু'বছর তখনই তার বাবা ঘর ছেড়ে চলে যায়। তখন চার্লি এবং উনার ভাইয়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব তার মায়ের উপর এসে পড়ে।

মা হান্না চ্যাপলিন স্টেজ শো করার মাধ্যমে উনার দুই ছেলেকে লালন-পালন করতে থাকেন। একদিন হান্না চ্যাপলিন স্টেজে গান গাইছিলেন। হঠাৎ করেই উনার গলার আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায়। মানুষ হান্না চ্যাপলিনকে টোন টিটকারি করতে শুরু করে দেয়, ভুলভাল কথা বলতে থাকে। হাঙ্গামা শুরু হয়ে যায়। চার্লি চ্যাপলিন এর বয়েস তখন ছিল মাত্র 5 বছর।

মানুষকে রাগান্বিত হতে দেখে মা'কে বাঁচাতে চার্লি স্টেজের দিকে দৌড়ে গেলেন, এবং স্টেজে উঠে পড়লেন। মা'য়ের গানটিকে সম্পূর্ণ করার জন্য মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে নিলেন। একটি নিষ্পাপ বাচ্চাকে মায়ের গলায় গান গাইতে দেখে মানুষ আশ্চর্য হয়ে গেলেন এবং হাসতেও থাকলেন। মানুষ বাচ্চা চার্লি চ্যাপলিনের এই প্রতিভাকে অভুত প্রশংসা জানালেন এবং স্টেজে পয়সার বন্যা বইয়ে দিলেন।

এটি চার্লি চ্যাপলিনের জীবনের প্রথম আয় মনে করা হয়ে থাকে। এরপর চার্লি চ্যাপলিনের মায়ের শারীরিক অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকে। আর একটা সময় এমন আসে উনাকে পাগলা গারদে ভর্তি করতে হয়। কারন উনার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে গিয়েছিল। যেহেতু চার্লি চ্যাপলিনের বাবা-মার মধ্যে তখনো বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি, এই কারণে কোর্ট চার্লির বাবা চার্লস চ্যাপলিন কে দুই ছেলের দায়িত্ব সপে দিলেন।

চার্লির বাবা ততক্ষণে দ্বিতীয় বিবাহ করে ফেলেছিলেন। এরপর সৎমা চার্লির উপরে ভীষন অত্যাচার করেন। চার্লি যখন 12 বছর তখন উনার বাবার মৃত্যু হয়। ততক্ষণে উনার মাও অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তখন চার্লি উনার ভাইকে নিয়ে মায়ের কাছে থাকতে চলে গেলেন। কিন্তু উনার মায়ের আওয়াজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, এবং করার জন্য কোন কাজ ছিল না।

চার্লি চ্যাপলিন ছোট থেকেই স্কুলের পড়াশোনায় মন বসাতে পারতেন না। তিনি সবসয় নিজে কি কাজ করা যায় তার কথা ভাবতেন। উনি উনার আত্মজীবনী তে লিখেছিলেন - কখনো তিনি চিপস্‌ বানানোর ব্যবসা করবেন ভাবতেন, আবার কখনো আন্য কিছু। কিন্তু তার জন্য উনার কাছে কোন পুঁজি ছিল না। 13 বছর বয়সে চার্লি স্কুল ছেড়ে দিলেন এবং ছোটখাটো কাজ করে সংসারের খরচ চালাতে লাগলেন।

এরপরে চার্লি এবং উনার ভাই সিডনি দুজন মিলে স্টেজ শো করে বেড়াতেন। ১৯০৬ এ ভাই সিডনি একটি কমেডিয়ান ড্রামা কোম্পানি তে যুক্ত হলেন। কিছুদিন বাদে চার্লি ও এই কোম্পানির সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করতে থাকেন। স্টেজ শো চলা কালিন চার্লির প্রতিভা এক পরিচালক এর নজরে আসে। এবং সেই পরিচালক এর মাধ্যমে E. Hamilton নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে চার্লির যোগাযোগ হয়।

Hamilton চার্লি চ্যাপলিন কে শার্লক হোমস নাটকে একটি চরিত্রে অভিনয় করার অফার করেন। চার্লি সেই অফার সহজেই গ্রহন করলেন। ব্যাস এখান থেকেই উনার জীবনের সবথেকে বড় টার্নিং পয়েন্ট এসে যায়। উনার অভিনয় মানুষের পছন্দ হতে শুরু করে। দেখতে দেখতে উনি একজন খ্যাতনামা স্টেজ আর্টিস্ট হয়ে উঠেন। এরপর চার্লি আর কোনদিন পিছন ফিরে তাকাননি।

১৯১৪ সালে চার্লির প্রথম সিনেমা Make a living মুক্তি পেয়েছিল। সেই বছরেই তিনি লন্ডন ছেড়ে আমেরিকায় চলে আসেন। এবং আমেরিকায় আসতেই উনার ক্যারিয়ারে একটি দীর্ঘ জয়যাত্রা শুরু হয়। উনি ১৯১৪ থেকে ১৯১৫ এর মাঝামাঝি এই এক বছরের মধ্যে 35 টি ছবিতে কাজ করেছিলেন। চার্লির সিনেমা নির্দেশক দের সাথে বেশি তৈরি হতো না। চার্লি নিজের ভূমিকা নিজের অনুসারে করতে চাইতেন।

কিন্তু ডাইরেক্টর বলতেন উনার আনুসারেই চরিত্রে রূপরেখা তৈরি হবে। চার্লিকে আমরা আজ যে রূপে দেখি সেই পরিচয় উনি the little track সিনেমার চরিত্র থেকে পেয়েছিলেন। এবং এই চরিত্র এতটাই লোকপ্রিয় হয়েছিল যে একবার আমেরিকায় চার্লি চ্যাপলিনের ভূমিকা অভিনয় করার প্রতিযোগিতা হয়েছিল। যে ব্যক্তি চার্লি চ্যাপলিনের মতো অভিনয় করতে পারবে তাকে পুরস্কৃত করা হবে।

এই প্রতিযোগিতায় চার্লি চ্যাপলিন নিজেও অংশগ্রহণ করেছিলেন। আর একথা তিনি কাউকে জানাননি। এবার অবাক করা কথা হল চার্লির এই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করার কথা, কিন্তু উনি তৃতীয় স্থান পেলেন। ততক্ষণে চার্লি একজন প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। সেই সময় তিনি $1250 প্রত্যেক সপ্তাহে আয় করতে থাকেন। ১৯১৫ সালে এই অর্থ মূল্য বিশাল আকার মানা হয়ে থাকে।

এর কিছুদিন পরেই চার্লির সাথে এক কোম্পানি বছরে $670000 ডলার এর একটি কন্টাক্ট সাইন করে। এই বেতন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি থেকেও বেশি ছিল। চার্লিকে ১৯১৯, ১৯২২ এবং ১৯৭৩ সালে তিনবার একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ১৯৪০ এ The Great Dictator সিনেমার জন্য উনাকে best actor হিসাবে পুরস্কৃত করা হয়। এই সিনেমায় চার্লি খ্যাতনামা Dictator 'মুসোলিনি' এর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

কিন্তু এর পর চার্লির জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়ের পাহাড়। চার্লির বিবৃতিকে বিকৃত করে উনাকে বামপন্থী বলা হতে থাকে। উনার উপর রুসি এজেন্ট হওয়ার অভিযোগও আনা হয়। ব্রিটেনে এর গুপ্ত সংস্থা MI5 এবং আমেরিকার FBI ১০ বছর ধরে চার্লির পেছনে পড়ে ছিলেন। ১৯৫২ সাথে চার্লির সিনেমা LimeLight মুক্তি পায়। কিন্তু আমেরিকা এই সিনেমা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

এর পর চার্লি চ্যাপলিন ভীষণভাবে ভেঙে পড়েন। আমেরিকা উনাকে দেশ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আদেশ দেন। এরপর চার্লি লন্ডনে এলেন। কিন্তু এখানে উনি থাকার জন্য কোন বাড়ি পেলেন না। অবশেষে তিনি চলে আসলেন সুইজারল্যান্ডে। এরপর চার্লি তার সম্পূর্ণ জীবন সুইজারল্যান্ডেই অতিবাহিত করেন।

চার্লি চ্যাপলিন মহাত্মা গান্ধীর বিচারধারার উপরে ভীষণ প্রভাবিত হয়েছিলেন। এবং প্রায়ই তিনি মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করতেন। একবার লন্ডনে উনার সাক্ষাৎ গান্ধীজির সাথে হয়ে গিয়েছিল। গান্ধীজি একটি সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য লন্ডনে এসেছিলেন। চার্লি গান্ধীজিকে প্রশ্ন করেছিলেন তিনি মেশিনের এত বিরুদ্ধে কেন? গান্ধীজি বলেন মেশিনের কারনেই মানুষ মানুষকে শোষণ করছে।

এই কথায় প্রভাবিত হয়ে চার্লি চ্যাপলিন Time machine নামে একটি সিনেমা বানিয়েছিলেন। চার্লি চ্যাপলিন বিখ্যাত বিজ্ঞানীক অ্যালবার্ট আইনস্টাইন এর ও একজান ভাল বন্ধু ছিলেন। বিখ্যাত গায়ক এবং ডান্সার মাইকেল জ্যাকসন সবসময় বলতেন তিনি চার্লি চ্যাপলিনের মত হতে চান। এইভাবে চার্লি চ্যাপলিন এর নিজস্ব জীবন অনেক বিবাদের সাথে পূর্ন ছিল।

উনি জীবনে চারটি বিবাহ করেছিলেন। কিন্তু কোথাও কোথাও উনি পাঁচটা বিবাহ করেছেন এটাও বলা হয়ে থাকে। উনার প্রত্যেকটি বিবাহে উনার বয়েস এবং স্ত্রীর বয়েসের অনেক অন্তর দেখা যেত। ১৯১৮ সালে যখন চার্লির বয়েস ২৬ তখন তিনি প্রথম ১৬ বছরের মহিলা Milan De Haris এর সাথে বিবাহ করেন। কিন্তু দুবছর পরেই উনাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

এরপর ১৯২৪ সালে চার্লি আবার ১৬ বছরের এক মহিলা Lita Grey এর সাথে বিবাহ করেন। তিনিও একজন অভিনেত্রী ছিলেন। কিন্তু তিন বছর পরেই উনাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তৃতীয় বিবাহ চার্লি ১৯২৬ সালে Pollard Godaddy এর সাথে করেছিলেন। এর আগে ৪ বছর ধরে উনারা একে অপরের সাথে ডেটিং করেছিলেন। কিন্তু ১৯৪২ সালে চার্লি এবং তৃতীয় স্ত্রী Pollard একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে যান।

৫৪ বছর বয়েসে চার্লি আবার এক ১৮ বছরের মহিলা Oona O'Neill সাথে বিবাহ করেন। Oona চার্লি চ্যাপলিনের শেষ জীবন অবধি সঙ্গ দিয়েছিলেন, এবং উনারা ৩৫ বছর ধরে একসাথে কাটিয়েছিলেন। এই চার স্ত্রীর দ্বারা চার্লির মোট ১১ জন সন্তান হয়েছিল। এছাড়াও বলা হয় চার্লি ১৯০৮ সালে Hetty Kelly নামে এক মহিলার সাথে বিবাহ করেছিলেন। কিন্তু ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের কারনে উনার মৃত্যু হয়েছিল।

প্রার্থনার শক্তি কি | What Is The Power Of Prayer | Motivational Story | Positive Stories Bangla

biography of charlie chaplin in short

কিছু ঐতিহাসিক লেখকেরা এটাও লিখেছিলেন যে চার্লির সাথে অনেক মহিলারই ঘনিষ্ঠতা ছিল। এবং নিজের জীবনে ২০০০ এর ও বেশী মহিলার সাথে তিনি সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন। ২৫ শে ডিসেম্বর ১৯৭৭ যখন পুরো দুনিয়া ক্রিসমাসের উৎসবে ডুবে আছে, তখন চার্লি এই দুনিয়াকে আলবিদা জানিয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় উনার পেছনে ছটি সন্তান এবং উনার স্ত্রী থেকে গেলেন।

মানুষ চার্লিকে শান্তিতে মুক্তি দিলেন না। জেনেভাতে একটি ঝিলের ধারে চার্লিকে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। দুজন কুকর্মকারী ব্যক্তি সেই সমাধি খুঁড়ে চার্লির মৃতদেহ বার করে আনে এবং পরিবার এর থেকে ৪ লক্ষ ডলার এর দাবি করে। যদিও কয়েক মাস পরেই পুলিশ সেই অপরাধীদের ধরে ফেলেন, এবং চার্লি চ্যাপলিনের মৃতদেহ আবার আগের জায়গায় সমাধিস্থ করা হয়।

তো বন্ধু এটাই ছিল চার্লি চ্যাপলিনের জীবনের সম্পূর্ণ কাহিনী। সারা দুনিয়াকে হাসিতে মাতিয়ে রাখা এই ব্যক্তির জীবনে যে কত দুঃখ, সংঘর্ষ, ব্যথা-বেদনা ছিল তা আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন।

Think positive - Talk positive - Feel positive

১০ টি শক্তিশালী অনুপ্রেরণামূলক উক্তি | best inspirational quotes in bnagla | motivational quotes in bangla


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

‘Freedoms Today’ নামে আমাদের আরেকটি YouTube channel আছে। যেখানে আমরা Network marketing-এর সম্বন্ধে ভিডিও বানিয়ে থাকি। আপনি যদি Network marketing-এর সম্বন্ধে জানতে চান এবং Network marketing শিখতে চান তো এই channel টি follow করতে পারেন। এবং আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে আপনি আমাদের website visit করতে পারেন।

Freedoms Today Website: http://www.freedomstoday.com/

Freedoms Today YouTube channel: https://www.youtube.com/FreedomsToday

Email: freedomstoday1@gmail.com


Post a Comment

0 Comments