Ticker

6/recent/ticker-posts

ক্ষুদিরাম বসু - স্বাধীনতার জন্য ফাঁসির মঞ্চে প্রথম শহীদ | Khudiram Bose Biography in Bengali | Positive Stories Bangla

ক্ষুদিরাম বসু - স্বাধীনতার জন্য ফাঁসির মঞ্চে প্রথম শহীদ | Khudiram Bose Biography in Bengali | Positive Stories Bangla


১৮৮৯ সালের ৩রা ডিসেম্বর, মেদিনীপুরের হাবিবপুর গ্রামে সাধারন এক ছাপসা পরিবারে জন্ম নিলেন বাংলা মায়ের দামাল ছেলে শহীদ ক্ষুদিরাম বসু। বাবা ছিলেন ত্রৈলোক্যনাথ বসু, এবং মা হলেন লক্ষীপ্রিয়া দেবী। ফাঁসির মঞ্চে যারা গেয়ে গেছেন জীবনের জয়গান, তাদের মধ্যে সর্বপ্রথম হলেন এই শহীদ ক্ষুদিরাম বসু


Biography Of Khudiram Bose In Bangla

ক্ষুদিরাম জন্ম নেওয়ার সাথে সাথে ঘর খুশিতে ভরে উঠল, কিন্তু তাঁর সাথে উনার বাবা-মার মনে একটি দুশ্চিন্তার ও উদয় হলো। কারন অপরূপা, সরোজিনী, ননীবালা নামে তাদের তিন কন্যা সন্তান হওয়ার পরে আরো দুটি পুত্র সন্তান জন্ম নিয়েছিল। কিন্তু পুত্র সন্তান দুটি নাবালক অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করেন।

এর পরেই জন্ম নিলেন ক্ষুদিরাম। তো ক্ষুদিরামের দীর্ঘায়ু এর স্বার্থে তখনকার সংস্কার অনুযায়ী তিনি মুঠো ক্ষুদের বিনিময়ে লক্ষীপ্রিয়া দেবী উনার মাতৃত্বের দাবি ত্যাগ করে ক্ষুদিরামকে বিক্রি করে দেন উনাদের বিবাহিত জৈষ্ঠ কন্যা অপরূপার কাছে। সামান্য ক্ষুদের বিনিময় সন্তান ক্রয় করা হয়েছিল, এই কারনেই নাম রাখা হয়েছিল ক্ষুদিরাম।

khudiram bose biography in bengali
khudiram bose biography in bengali

কিন্তু ছোটবেলা থেকেই তার জীবনে নেমে এলো ভয়ঙ্কর দুর্যোগ। মাত্র ৬ বছর বয়সে কিছুদিনের ব্যবধানে তিনি মাতা পিতাকে হারালেন। তারপর উনার বরাবরের ঠাই হল তার বরদি অপরূপার কাছে। প্রথমে ঘাটাল, তারপর তমলুক এবং এরপর 15 বছর বয়সে ফিরে আসলেন মেদিনীপুরে। এখানে এসে তিনি ভর্তি হলেন মেদিনীপুরর কলেজিয়েট স্কুলে।

কিন্তু বেশিদিন পড়াশোনা করা হলো না। মাত্র ক্লাস নাইন অব্দি তিনি পড়াশোনা করেছিলেন। কারন তখন উনার সাথে পরিচয় হয় বিপ্লবী হেমচন্দ্র দাস কানুনগো, রাজনারায়ণ বসু, জ্ঞানেন্দ্রনাথ এবং সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সঙ্গে। উনারা ইতিপূর্বে ১৯০২ সাথে বিপ্লবী অরবিন্দ ঘোষের অনুপ্রেরণায় গরে তুলেছিলেন "অনুশীলন" নামে এক গুপ্ত বিপ্লবী সংগঠন।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় সত্যেন্দ্রনাথ বসু এক "ছাত্রভাণ্ডার" গড়ে তোলেন। এখানে তাঁত, ব্যায়ামচর্চা ইত্যাদির আড়ালে বিপ্লবীদের ঘাঁটি তৈরি হয়ছিল । বীর ক্ষুদিরাম বসু উনার সাহায্যে বিপ্লবী দলভুক্ত হয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন । ক্ষুদিরাম তারই নির্দেশে "সোনার বাংলা" শীর্ষক বিপ্লবাত্মক ইশতেহার বিলি করেতে গিয়ে প্রথমবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

কিছুদিনের মধ্যেই ক্ষুদিরামের চরিত্রের এক অসাধারণত্ব দিক সকলে লক্ষ্য করলেন। এদিকে সেই সময় মোজাফফরপুর এর জেলা শাসক ছিলেন অত্যাচারী কিংসফোর্ড। কোন ছোটখাটো বিচারো যদি তার কাছে আসতো তিনি পনেরোটা চাবুক মারার হুকুম দিতেন। অনুশীলন সমিতি ঠিক করলেন অত্যাচারী কিংসফোর্ডকে হত্যা করে ভারতীয়দের উপর হওয়া অত্যাচারের বদলা নেওয়া হবে।

প্রথম বার কিংসফোর্ডকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল বইয়ের মধ্যে লুকিয়ে একটি বোম পাঠিয়ে। কিন্তু কিংসফোর্ড বইটি খোলেন নি। ফলে প্রথম বারের চেষ্টা বিফল হয়। তখন অনুশীলন সমিতি ঠিক করলেন কিংসফোর্ডকে সামনে থেকেই হত্যা করা হবে। কিন্তু ততক্ষণে ইংরেজ সরকার কিংসফোর্ডকে বিহারের মোজাফফরপুরে ট্রানস্ফার করে দেন।

এবার কিংসফোর্ডকে মারার দায়িত্ব এসে পড়ল ক্ষুদিরাম এবং আরেক বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকীর উপরে। সেই উদ্দেশ্যে উনারা ১৯০৮ সালে মোজাফফরপুর এসে পৌছলেন। এখানে এসে মতিঝিল এলাকায় এক বাঙালি জমিদারের এর ধর্মশালায় ঘর ভাড়া করলেন। যেহেতু এখানকার ভাষা উনাদের অজানা ছিল তো বেশ কিছুদিন লাগল উনাদের এই শহরটিকে ভালো করে চিনি নিতে।

এবং তার সাথে সাথে উনারা চিনে নিলেন জেলা শাসক কিংসফোর্ড এর বাসস্তান। কোন আদালতে তিনি বিচার করতে যান? কোন রাস্তা দিয়ে যান? কখন ফেরেন? কোন ঘোড়ার গাড়িতে যাতায়াত করেন ইত্যাদি ইত্যাদি। অবশেষে আসে সেই মোক্ষম দিন এবং সেই চরম মূহুর্ত। ১৯০৮ সালের ৩০ শে এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সময় রাত ৮ বেজে ৩০ মিনিট।

ক্ষুদিরাম এবং প্রফুল্ল চাকী আগে থাকতেই কিংসফোর্ড এর বাড়ির সামনে এসে একটি গাছের আড়ালে লুকিয়ে রইলেন। সিকিউরিটি গার্ড তাদের দেখতে পেলেও বাচ্চা ছেলে বলে ভ্রুক্ষেপ করেনি। উনারা আগে থেকেই জানতেন কিংসফোর্ড এই সময় স্থানীয় একটি ইউরোপিয়ান ক্লাব থেকে তাসের আড্ডা দিয়ে ফেরেন। তো উনারা প্রস্তত হলেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই উনারা দেখতে পেলেন একটি ফিটন গাড়ি কিংসফোর্ড এর বাংলোর সামনে এগিয়ে আসছে। এবং গাড়িটি কাছে আসতেই ক্ষুদিরাম এগিয়ে গেলেন এবং গাড়িটিকে লক্ষ্য করে বোমা ছুড়লেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় সেই গাড়িটিতে কিংসফোর্ড ছিলেন না। অবিকল একইরকম দেখতে গাড়িটিতে ছিলেন স্থানীয় আইনজীবী পিঙ্গল কেনেডির স্ত্রী ও কন্যা এবং বোমের আঘাতে সঙ্গে সঙ্গে উনারা মৃত্যুবরণ করলেন।

এদিকে ক্ষুদিরাম এবং প্রফুল্ল চাকী দুজনে দু-দিকে দৌড়াতে লাগলেন। দুজনকে এই শহরে কেউ চিনত না অতএব তাদের পালিয়ে যাওয়া অসম্ভব ছিল না। কিন্তু উনারা একটা ভুল করলেন। তাদের গায়ের চাদর এবং জুতো তারা ফেলে গেলেন কিংসফোর্ড এর বাংলোর সামনে সেই গাছের নিচে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সার্চ করে সেগুলো খুঁজে পেল পুলিশ, এবং রাতা রাতি ফতোয়া জারি করে দিল দুই বাঙ্গালী যুবক হত্যা করে ফেরার হয়েছে।

এবং যারা এই দুজনের খবর দিতে পারবে তাকে ৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এদিকে সারা রাত হেঁটে পরের দিন ১৯০৮ সালের ১ লা মে, প্রফুল্ল চাকী ৩২ মাইল দূরে সমস্তিপুর স্টেশনে এসে পৌঁছলেন। সেখানে তিনি মোকামঘাট এর উদ্দেশ্যে একটি ট্রেনে গিয়ে উঠে বসলেন। পরিচয় গোপন করার জন্য উনি নতুন জামা কাপড় পড়েছিলেন।

ট্রেনে উনার সহযাত্রী ছিল এক বাঙ্গালি পুলিশ ইন্সপেক্টর নন্দলাল ব্যানার্জি। নতুন কাপড় পরা এক বাঙালিকে দেখে এবং তার সঙ্গে কথা বলে ইন্সপেক্টরের সন্দেহ হয়। তিনি খবর পাঠালেন সহকারীদের এবং পত্রযোগে মোজাফফরপুর থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা আনিয়ে পরেরদিন মোকামা ঘাট স্টেশনে প্রফুল্ল চাকীকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করলেন।

প্রফুল্ল চাকী গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা আচঁ করে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলেন। পেছনে ধেঁয়ে কনস্টেবলদের কে নিজের কাছে রাখা একটি রিভলবার থেকে কয়েকটি গুলিও ছুড়লেন। কিন্তু যখন দেখলেন তিনি আর পালাতে পারবেন না তখন নিজের মাথায় রিভলবার ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে দিলেন এবং সাথে সাথে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন।

প্রফুল্ল চাকী ইন্সপেক্টর নন্দলাল ব্যানার্জিকে দীনেশ চন্দ্র রায় নামে পরিচয় দিয়েছিলেন। ফলে তাঁর সত্যতা যাচাই করার জন্য ইংরেজ পুলিশ প্রফুল্ল চাকীর মাথাটি কেটে কলকাতায় পাঠিয়েছিলেন, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় এটাই প্রফুল্ল কুমার চাকী।

এদিকে ক্ষুদিরাম ও রেললাইন ধরে হাঁটতে হাঁটতে প্রায় ৩০ মাইল দূরে ওয়াইনি স্টেশনে এসে পৌঁছলেন। খিদে এবং জল পিপাসায় উনার তখন বুক ফেটে যাচ্ছিল। উনি প্রচন্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। ওয়াইনি স্টেশনে যখন একটি দোকানে তিনি মুড়ি জল খেতে এলেন তখন উদ্ভ্রান্ত সন্দেহজনক এক যুবককে রেলস্টেশনে দেখেই পুলিশের সন্দেহ হওয়ায় সেখানেই উনাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় ক্ষুদিরামের কাছে পাওয়া গেল দুটি রিভলবার, বেশ কয়েকটি গুলি, ৩০টি টাকা, একটি রেলওয়ে ম্যাপ এবং সঙ্গে রেলের টাইম টেবিল। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসলেন মজফফরপুরে। ততক্ষণে চারিদিকে খবর আগুনের মতো ছড়িয়ে গেছে। কেউ বিশ্বাস করতে পারছিল না মাত্র ১৮ বছর এক ছেলে কোন ইংরেজ কে হত্যা করেছে।

মজফফরপুরে পুলিশ স্টেশনে ভেন থেকে নেমেই ক্ষুদিরাম ধ্বনি দিয়ে উঠলেন "বন্দেমাতারাম"। উনাকে হাজির করা হয় মজফফরপুরের ম্যাজিস্ট্রেট উডম্যান এর আদালতে। ক্ষুদিরাম উনার আত্মপরিচয় গোপন করার কোন চেষ্টাই করলেন না। আদালতে স্পষ্টভাবে জানালেন উনার নাম এবং আসল পরিচয়।

কিন্তু তিনি ভেবেছিলেন প্রফুল্ল হয়তো পালিয়েছেন। তাই উনাকে আইনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য তিনি বল্লেলন মজফফরপুরে হত্যাকাণ্ডে তার সহযোগী ছিল দীনেশ চন্দ্র রায়। এবং ৩০ শে জুলাই রাতে তিনি নিজের হাতে বোমা ছুড়ে ছিলেন। উনার লক্ষ্য ছিল অত্যাচারী কিংসফোর্ডকে হত্যা করার।

এরপর ১৩ই জুন, ১৯০৮ এই মামলার রায় শোনানো হল। বিচারক কনডর ক্ষুদিরামকে ফাঁসির সাজা শোনালেন। ফাঁসির বিচারে সই করে কলম ভেঙে ফেলার পর, বিচারক কনডর ক্ষুদিরামের দিকে তাকালেন। এবং তিনি অবাক হয়ে দেখলেন এক ১৮ বছরের যুবকের মুখে মৃত্যু ভয়ের কোন লেশমাত্র নেই, বরং তিনি তখন এক অদ্ভুত হাসি হাসছেন।

হতবাক কনডর রায় দেবার পর ক্ষুদিরামকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি বুঝতে পেরেছো তোমার কি সাজা হয়েছে? ক্ষুদিরাম বললেন হ্যা আমি বুঝেছি, কিন্তু আমি কিছু বলতে চাই। জর্জ সাহেব বলেন সময় খুব কম। ক্ষুদিরাম বললেন আমাকে যদি সুযোগ দেওয়া হয় আমি বলতে চাই যে আমি সেই বোমটা কিভাবে তৈরি করেছিলাম।

এদিকে ক্ষুদিরামের ফাঁসির সাজা শোনানো হচ্ছে, আর অন্যদিকে ক্ষুদিরাম বলে চলেছেন বোমা বানানোর ফর্মুলা। যাতে আদালতে উপস্থিত সমস্ত ভারতীয় দের এই বোমা বানানোর ফর্মুলা শিখিয়ে দেওয়া যায়। আরেকটা কারন হলো সংবাদমাধ্যমও সেখানে উপস্থিত ছিল।

ফাঁসির আগের দিন অর্থাৎ ১৯০৮ সালের ১০ই আগষ্ট ক্ষুদিরামের আইনজীবী কালিদাস বসু জেলে উনার সাথে দেখা করতে গেলেন। তিনি লক্ষ্য করলেন ফাঁসির আগের দিনও ক্ষুদিরাম আগের পূর্বমতে অবিচলিত এবং উনার মুখে সেই প্রফুল্ল চিত্ত হাসি। কালিদাস বাবুকে হাসতে হাসতে তিনি বলেন অতীতে রাজপুত রমণীরা নির্ভয়ে জওহরব্রত পালন করে অগ্নিকুন্ডে ঝাঁপ দিতেন, ঠিক সেরকমই সেও নির্ভয়ে ফাঁসিতে প্রাণ ত্যাগ করবে।

আসল সেই দিন, ১৯০৮ সালের ১১ই আগষ্ট। কাক ভোরে চারজন কনস্টেবল ক্ষুদিরামকে নিয়ে এলো ফাঁসির মঞ্চে। বরং বলা যায় ক্ষুদিরামই চার জনকে নিয়ে আসলেন। ক্ষুদিরাম ছিলেন অবিচল, ভয়হীন এবং শান্ত। ফাঁসির মঞ্চে উপস্থিত হওয়ার পর উনার হাত দুটিকে পেছনে বেঁধে দেয়া হল এবং সবুজ রঙ্গের পাতলা টুপি দিয়ে গলা অবধি ঢেকে গলায় ফাঁসির দড়ি পড়িয়ে দেওয়া দেওয়া হল।

সকাল সময় ৬টা উডম্যান সাহেব রুমাল ঘুরিয়ে দিলেন। একজন প্রহরী হাতল ধরে টান দিলেন, ক্ষুদিরাম নীচে তলিয়ে গেলেন। কয়েক সেকেন্ড ধরে উপরের দড়িটা নড়তে লাগল, তারপর সব স্তব্ধ। এই ফাঁসির মঞ্চে এই কিশোর বিপ্লবীর ভয়হীনতা, নিঃসঙ্কোচিত্ততা সে যুগে আপামোর বাঙ্গালির বুকে ঝড় তুলেছিল। ক্ষুদিরামের আত্মত্যাগ স্বাধীনতার আন্দোলনে এক নতুন শক্তি জুগিয়েছিল। বাচ্চা বাচ্চা ছেলেদের কাছে ক্ষুদিরাম এক নতুন উদাহরন হয়ে গেলেন।

কেন ব্রুস লি একজন হিউম্যান ড্রাগন ছিলেন | Why Bruce Lee Was A human dragon | Positive Stories Bangla | Bruce lee biography

Khudiram Bose Biography in Bengali

উনার শেষকৃত্য সম্পন্ন হলে পরে খবরের কাগজে একটি লেখা বেড়িয়েছিল। ক্ষুদিরামের অস্থি চূর্ণ এবং চিতা ভস্ম নেওয়ার জন্য পরস্পরের মধ্যে কাড়াকাড়ি চলতে থাকে। কেউ সোনার কৌটায়, কেউ রুপোর কৌটায়, কেউ হাতির দাঁতের ছোট ছোট কৌটায় সেই পবিত্র ভস্ম ভরে নিয়ে গিয়েছিলেন। একমুঠো ভস্মের জন্য হাজার হাজার স্ত্রী-পুরুষ পাগল হয়ে গিয়েছিলেন।

ক্ষুদিরাম এইভাবে নিজের জীবন বাজি রেখে ভারত মাতার উপর উনার ভক্তি ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেছিলেন। অজস্র লোক গান, কবি গান এবং ভাদু গানের মাধ্যমে উঠে এসেছিল ক্ষুদিরামের ফাঁসির কাহিনী। বাঁকুড়ায় বসবাসকারী এক অখ্যাত গ্রাম্য কবি পীতাম্বর দাস লিখলেন সেই কালজয়ী গান - 'একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি, আমি হাসি হাসি পরবো ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী'।

এই গানের মধ্যে দিয়েই শহীদ ক্ষুদিরাম বসু সমগ্র ভারতবাসীর কাছে অমর হয়ে গেলেন। একজন ভারতবাসী এবং বাঙালি হওয়ার দরুন এই পুণ্যাত্মা মানুষটির জন্য আমার শতকোটি প্রণাম।

Think positive - Talk positive - Feel positive

20 best swami vivekananda quotes in Bengali | swami vivekananda bengali quotes

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

‘Freedoms Today’ নামে আমাদের আরেকটি YouTube channel আছে। যেখানে আমরা Network marketing-এর সম্বন্ধে ভিডিও বানিয়ে থাকি। আপনি যদি Network marketing-এর সম্বন্ধে জানতে চান এবং Network marketing শিখতে চান তো এই channel টি follow করতে পারেন। এবং আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে আপনি আমাদের website visit করতে পারেন।

Freedoms Today Website: http://www.freedomstoday.com/

Freedoms Today YouTube channel: https://www.youtube.com/FreedomsToday

Email: freedomstoday1@gmail.com



Post a Comment

0 Comments