Ticker

6/recent/ticker-posts

গৌতম বুদ্ধের গভীর ঘুমের রহস্য | ঘুমানোর সঠিক উপায় | Gautam Buddha Story In Bengali | inspirational story

গৌতম বুদ্ধের গভীর ঘুমের রহস্য | ঘুমানোর সঠিক উপায় | Gautam Buddha Story In Bengali | inspirational story


গৌতম বুদ্ধ বলেছিলেন - প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সবাইকে ক্ষমা করে দিন এবং পরিষ্কার চিত্তে ঘুমান।

আজকে গৌতম বুদ্ধের এই গল্পটির মাধ্যমে আপনি জানবেন, ঘুম কি? এবং ঘুমানোর সময় কম এবং ঘুম কিভাবে গভীর করা যায়? এবং ভিডিওটির শেষে আপনাকে একটি ভালো এবং গভীর ঘুম এর কিছু যৌগিক উপায় বলা হবে।


Inspirational story in Bengali

একবার এক ধনী ব্যক্তি একজন বৌদ্ধ ভিক্ষুকের কাছে গেলেন। এবং বললেন - হে মুনিবর, আমি আমার ঘুম নিয়ে ভীষণ ব্যতিব্যস্ত। অনেক চেষ্টা করেও আমি মাঝ রাতের বেশি আর ঘুমোতে পারি না। এবং রাতে ঘুমানোর আগে আমার মাথায় দুনিয়ার চিন্তা ঘুরতে থাকে।

যদি আমার ঘুম চলেও আসে তাহলেও আমি সারা রাত এ-পাশ ও-পাশ করতে থাকি। এবং যখন সকালে ঘুম থেকে উঠি আমার কেমন একটা অস্বস্তি অনুভূতি হয়। আমি নিজেকে ক্লান্ত এবং অশান্ত অনুভব করি। আপনি দয়া করে এই সমস্যার সমাধান আমাকে দিন।

gautam buddha story in bengali
gautam buddha story in bengali

বৌদ্ধ ভিক্ষু বললেন - তোমার সমস্যার সমাধান করার আগে, আমি গৌতম বুদ্ধের গভীর ঘুমের রহস্য বিষয়ে ছোট্ট একটি গল্প তোমাকে শোনাতে চাই।

ধনী ব্যক্তি বললেন - আপনার যা ইচ্ছা মুনিবর। বৌদ্ধ ভিক্ষুক বলতে শুরু করলেন -

যখন তথাগত গৌতম বুদ্ধ ঘুমোতেন তখন তিনি সম্পূর্ণ রাত একই অবস্থায় থাকতেন। কখনও এ-পাশ ও-পাশ করতেন না। যে অবস্থায় রাতে তিনি শুতেন সকাল অবধি সেই অবস্থাতেই থাকতেন।

গৌতম বুদ্ধের এক শিষ্য ছিল - আনন্দ। যিনি প্রায়ই উনার পাশে শুতেন। আনন্দকে এই কথাটা ভীষণ বিচলিত করত, যে - গৌতম বুদ্ধ সারারাত একই শারীরিক অবস্থাতে কীভাবে থাকতে পারেন? রাতে যখনই আনন্দের কখনও ঘুম ভাঙত, তিনি গৌতম বুদ্ধকে সবসময় একই অবস্থাতে শুয়ে থাকতে দেখতেন।

এই ব্যাপারটিতে আনন্দের মনে অনেক প্রশ্নর উদয় হত। কিন্তু একদিন শিষ্য আনন্দ প্রশ্নটা আর ধরে রাখতে পারলেন না। তো উনি গৌতম বুদ্ধের কাছে গেলেন এবং মধ্যরাতেই গৌতম বুদ্ধকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দিলেন, এবং বললেন - হে তথাগত, আমাকে ক্ষমা করবেন। আমি জানি আপনাকে প্রশ্ন করার এটা সঠিক সময় নয়।

কারণ আপনি সারাদিন চলাফেরা করতে থাকেন এবং মানুষকে ধর্মের জ্ঞান দেন এবং তাঁদের সমস্যার সমাধান করে দেন। কিন্তু আমার অন্তরের জিজ্ঞাসা এতটাই বেড়ে গেছে যে আমি সকাল অবধি অপেক্ষা করতে পারলাম না। এই কারণে আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আমার জিজ্ঞাসা কে ক্ষান্ত করুন।

তারপর আনন্দ আবার বললেন - আমি গত বিষ বছর ধরে আপনার সাথে আছি। এবং দেখে আসছি আপনি সারারাত কেবল একই অবস্থায় কাটিয়ে দেন। আপনি একটুও নড়াচড়া করেন না। আপনি কি সত্যিই ঘুমান? নাকি ঘুমান না?

গৌতম বুদ্ধ আনন্দের দিকে তাকিয়ে একটু হাসলেন এবং বললেন - আমি নিজে শোয়ার জন্য সঠিক অবস্থান খুঁজে নিয়েছি। এখন ঘুমানোর সময় আমার আর নড়াচড়া করার দরকার পরে না। আমি ঘুমোনোর অবস্থাতেও জাগরুক থাকি। যেখানে আমার শরীর ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু আমি জাগরুক থাকি।

প্রশ্ন এটা নয় যে, ঘুমানোর সময় শরীর নড়াচড়া করে কিনা? প্রশ্ন হল শরীর কেন এক স্থির অবস্থায় থাকতে পারে না? আসল কারণ হল মন। এই মন'ই হল যা শান্ত এবং স্থির থাকতে পারে না। আর এটাই কারণ ঘুমন্ত অবস্থাতেও আমরা আমাদের শরীরকে নড়াচড়া করতে থাকি। কিন্তু আমি এই বিষয় থেকে অনেক উপরে চলে গেছি।

এখন আমার ভিতর মন বলে কিছু নেই। যখন আমি শুতে যাই, আমার শরীর একজন মৃত ব্যক্তির মতো হয়ে যায়। মন বলতে কিছুই আর থাকে না। আনন্দ, তুমি কখনো কোনো মৃত শরিরকে নিজের অবস্থান বদল করতে দেখছো? এটা তো কেবল আমাদের মন, যা আমাদের গভীর ঘুমন্ত অবস্থাতেও এইসব কাজ করাতে থাকে।

একবার মন যদি স্থির হয়ে যায়, যদি শান্ত হয়ে যায় তখন তোমার শরীর গভীর ঘুমে চলে যাবে। কিন্তু তুমি ভিতর থেকে জাগরুক থাকবে। ভিতর থেকে তুমি সবকিছু অনুভব করতে পারবে। ঘুমানোর পরেও তোমার জাগরুকতা একটি ছোট জ্বলন্ত প্রদীপের শিখার মতো সর্বক্ষণ বিচরণ করবে।

গল্পটি শেষ করার পরে বৌদ্ধ ভিক্ষুক সেই ধনী ব্যক্তিকে বললেন - একজন জাগরুক মানুষ কেবল নিজের শরীরকেই সম্পূর্ণ জাগরুক অবস্থায় দেখে তাই নয়, বরং সে তার নিজের মনকেও সম্পূর্ণ জাগরুক অবস্থায় দেখতে থাকে। একজন জাগরুক মানুষ সাধারণ মানুষের মতো ঘুমায় না। যখন সাধারণ কোন মানুষ ঘুমায় তখন সে অচেতন হয়ে যায়। তার আশেপাশে কী ঘটছে সে বুঝতে পারে না।

এই কারণে সে তার স্বপ্নকেও নির্বাচন করতে পারে না। কিন্তু যখন এক বৌদ্ধ ব্যক্তি ঘুমায় তখন সে জাগরুক থাকে। যেরকম সকালে চোখ খোলার সময় মনে হয়, তেমনই একজন বৌদ্ধ ব্যক্তির ঘুমের মধ্যেও হয়ে থাকে। এই কারণে এটা বলা হয়ে থাকে যে, বৌদ্ধ ব্যক্তি কখনও ঘুমোয় না।

যখন একজন সাধারন মানুষ ঘুমাতে যায়, তখন সে জানতে পারে না যে সে কখন ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু যদি তুমি জেগে থাকা এবং ঘুমানোর মাঝখানে ছোট্ট সেই মুহূর্তটিতে, যখন আমরা ঘুমানোর একদম কাছাকাছি থাকি তখন যদি জাগরুক থাকতে পারি তো কিছু অদ্ভুত ঘটনা ঘটবে। যা তোমাকে জাগরুকতার আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে।

এটা শুনে সেই ধনী ব্যক্তি বললেন - হে মুনিবর, আমি এত গভীর আধ্যাত্মিক কথা বুঝতে পারি না। দয়া করে আপনি আমাকে সহজ কথা দিয়ে বোঝান, যে আমার সহজে গভীর ঘুম কেন আসে না? বৌদ্ধ ভিক্ষু বললেন - মধ্য রাত অবধি জেগে থাকা এবং সহজে গভীর ঘুম না আসার ৫টা কর্মের কারণ রয়েছে।

প্রথম কারণ হল - বিছানায় শোয়া ছাড়াও অন্য কাজ করা। যেমন অনেক মানুষের অভ্যাস তারা বিছানার মধ্যে বসেই খাবার খেয়ে নেয়। বিছানার মধ্যেই পড়তে বসে যায়। এরকমই আরও বহু কাজ তারা শয়নকক্ষেই করে থাকে। শয়নকক্ষের অর্থই হল শোয়ার জায়গা। কিন্তু মানুষ একে অন্য কাজের জন্যও ব্যবহার করে থাকে।

যার কারণে আমাদের মস্তিষ্কে শয়নকক্ষের একটা নিশ্চিত অর্থ থাকতে পারে না। এই কারণে যখন আমরা বিছানায় শুতে যাই আমাদের মন পূর্ণরূপে এই কথাটা স্বীকার করতে পারে না, যে এখন আমাকে শুতে হবে। কারণ আপনি এই জায়গায় অন্য কাজ করার জন্য অভ্যেস করে ফেলেছেন।

বৌদ্ধ ভিক্ষু আরো বললেন - বৌদ্ধ ভিক্ষুকেরা সকালে ঘুম থেকে উঠেই তার বিছানা ত্যাগ করে ফেলে। এবং তারা একেবারে রাত্রে শোবার সময়ই আবার বিছানায় যায়। যেখানে তার মস্তিস্ক এটা বুঝতে পারে যে বিছানায় যাবার অর্থ হল গভীর ঘুমে চলে যাওয়া।

গভীর এবং আরামদায়ক ঘুম না আসার দ্বিতীয় কারণ হলো - ঘুমাতে যাওয়ার একটা নির্দিষ্ট সময় না থাকা। যদি তুমি সকালে খুব তাড়াতাড়ি এবং সম্পূর্ণ ঘুম নিয়ে উঠতে চাও, তো তোমায় রাতে তাড়াতাড়ি এবং একটা নির্দিষ্ট সময় শোবার অভ্যাস করতে হবে।

বৌদ্ধ আশ্রমে থাকা ভিক্ষুকেরা একটা নির্দিষ্ট সময়ে শোবার কয়েক ঘণ্টা আগে, হালকা এবং সহজপাচ্য আহার গ্রহণ করে। এবং রোজ রাত্রে একটা নির্দিষ্ট সময়ে শুতে চলে যায়। তো এইভাবে তারা প্রাত্যাহিক দিন অতিবাহিত করেন।

যৌগিক সংস্কৃতিতে ঘুমকে একটা চমৎকারি দুনিয়া বলা হয়ে থাকে। যদি আপনি ঘুম কি তা বুঝে যান, তাহলে আপনি ঘুমের মধ্যে নিজের ভেতর অনেক কিছু তৈরি করতে পারেন। আর যদি না বুঝতে পারেন তাহলে খারাপও কিছুও করে ফেলতে পারেন।

বৌদ্ধ ভিক্ষু আগে বললেন - গভীর ঘুম না আসা এবং সকালে উঠে মানসিক চাপ অনুভব করার তৃতীয় কারণ হলো, শোবার আগে নেতিবাচক চিন্তা ভাবনা করা। তুমি যেরকম বিচারধারা চিন্তা করে শুতে যাও সকালে চোখ খুলতেই তোমার মনে সর্বপ্রথম সেই বিচারধারা চলে আসে। এই কারণে যখন তুমি নেতিবাচক বিচারধারার সাথে শুতে যাও, সকালে তুমি সেই বিচারধারার সাথেই ঘুম থেকে উঠ।

বিছানায় শোয়ার সময় যখন আমরা ঘুমের কাছাকাছি যাই তখন আমাদের অবচেতন মন সবথেকে বেশি সক্রিয় হয়ে থাকে। ঠিক এই সময় যে ধরনের বিচারধারা আমরা আমাদের ভেতর তৈরি করে থাকি, আমাদের অবচেতন মন সোহজেই সেই বিচারধারাকে গ্রহণ করে নেয়। এবং তাকে বাস্তবতায় নিয়ে আসতে চেষ্টা করতে থাকে।

আমাদের অবচেতন মন ভালো এবং খারাপ এই দুটোর মধ্যে বিচার করতে পারেনা। ও জানতে পারে না যে আমাদের জন্য কোনটা ভাল আর কোনটা খারাপ। এ কেবল প্রাপ্ত সূচনাতেই কাজ করতে শুরু করে দেয়। এই কারণে শোবার সময় নিজেদের সমস্যা এবং নেতিবাচক চিন্তাভাবনা করা ছেড়ে,

আমাদের সেই ভালো জিনিস এবং সেই ভালো কাজের কথা ভাবা উচিত যা আমরা আমাদের জীবনে অর্জন করতে চাই। সব সময় রাতে শোবার আগে এবং সকালে ওঠার পরে সেই জিনিসের উপর বিচারধারা নিয়ে আস যা তোমার জীবনে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

গভীর এবং আরামদায়ক ঘুম না আসার চতুর্থ কারণ হলো - ভুলভাবে শয়ন করা। বৌদ্ধ ভিক্ষু বললেন তুমি শুনে থাকবে ভারতবর্ষে সব সময় বলা হয় থাকে উত্তর দিকে মাথা দিয়ে না শোবার জন্য। এটা এই কারণে হয়ে থাকে যখন আমরা উত্তর দিকে মাথা দিয়ে শয়ন করি, তখন পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে আমাদের শরীরের অনেক রক্ত মস্তিষ্কর দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এবং মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা স্নায়ু বহুৎ পাতলা হওয়ার কারণে সেগুলো ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ফলে বয়স্ক এবং কমজোর মানুষের মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বেড়ে যায়। কিন্তু সাধারণত মানুষ যারা উত্তর দিকে মাথা দিয়ে শয়ন করে, যখন সকালে ঘুম থেকে উঠে তখন মস্তিষ্কে এক অস্বস্তিকর অনুভূতি অনুভব করে। এবং তারা সারারাত অস্থিরতা ও এপাশ-ওপাশ করে কাটাতে থাকে।

দ্বিতীয় ভুল যা মানুষ শোবার সময় করে থাকে, তা হলো তারা যেকোনো অবস্থায় শুয়ে পড়ে। তারা এটা খেয়াল রাখে না যে তাদের মেরুদন্ডের হাড় সোজা আছে কি নেই। মানুষ বেশিরভাগ সময় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকে। যেখানে আমাদের চেষ্টা করা উচিত চিৎ হয়ে শোয়া, বা বাম দিকে পাশ ফিরে শোয়া। এতে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গে অতিরিক্ত টান পরেনা।

শোবার সময় বেশি মোটা গদি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ এতে তোমার মেরুদন্ডের হাড় বেঁকে যায় এবং গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। এর সাথে বেশি মোটা উঁচু বালিশও ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ এতে তোমার ঘাড় বেশি বাঁকা হয়ে থাকে এবং তোমার শরীর অস্বস্তি অনুভব করে। এবং এটিও তোমার গভীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।

মধ্য রাতে অবধি ঘুম না আসা এবং রাতে ঘুমানোর সময় অস্বস্তি অনুভব করার পঞ্চম কারণ হলো - বহুৎ অধিক মাত্রায় এবং অত্যাধিক দেরিতে পাচ্য হওয়া আহার গ্রহন করা। যদি তুমি রাত্রে ভারী এবং অত্যাধিক তেল যুক্ত আহার গ্রহন কর তো এও আমাদের ঘুমের মধ্যে ব্যাঘাত ঘটায়।

কারণ এই টাইপের খাবার হজম হতে অনেক সময় এবং অনেক শক্তির দরকার পরে। এই কারণে যদি তুমি এই টাইপের আহার গ্রহণ করে থাক তাহলে চেষ্টা কর শোয়ার তিন থেকে চার ঘণ্টা আগেই তা খেয়ে নিতে।

এবার ধনী ব্যক্তি বললেন - হে মুনিবর, আমি এটা তো বুঝতে পারলাম যে গভীর এবং আরামদায়ক ঘুম না আসার কারন কি। কিন্তু আপনি কি এখন এমন কোনো উপায় বলতে পারেন যা করলে আমায় গভীর ঘুম হতে সাহায্য করে।

যদি আপনি বিষণ্ণ বোধ করেন তবে এই গল্পটি আপনার জন্য | motivational story in bengali | short stories with moral lesson | Life changing stories | short stories

Gautam buddha story in bengali

বৌদ্ধ ভিক্ষু বললেন - আমি তোমাকে এমন কিছু ক্রিয়ার কথা বলছি, যা তুমি শোবার আগে এবং ঘুম থেকে ওঠার পরে করতে পারো। যাতে তোমার ঘুম তো গভীর হবেই হবে এর সাথে সাথে তোমার জীবনে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনও আসবে। এবং এই প্রত্যেকটি ক্রিয়া তোমাকে করতে হবে না, এরমধ্যে যে দু-তিনটে ক্রিয়া তোমার উপযুক্ত মনে হয় তুমি করতে পারো।

সবার আগে চেষ্টা করো শোবার আগে হালকা উষ্ণ গরম জলে স্নান করা। স্নান করার ফলে আমাদের শরীর জাগ্রত এবং মানসিক চাপ উপশম করে। তুমি দেখে থাকবে যখন কোন মানুষ স্নান করে আসে, তখন তার ভেতর থেকে এক ইতিবাচক শক্তির অনুভব হয়। সে তখন বেশি খুশি এবং মানসিক চাপ থেকে মুক্ত হয়ে থাকে।

এর মুখ্য কারণ হলো আমাদের শরীরের বেশিরভাগ অংশ হচ্ছে জল এবং জল হল আমাদের শরীরের একটি মৌলিক অংশ। যদি সম্ভব হয় শোবার সময় শয়ন কক্ষে কোন জৈব তেল এবং তুলো দিয়ে তৈরি সলতে দিয়ে প্রদীপ জ্বালানো। এর ফলে আশেপাশের বাতাবরণে ইতিবাচকতা আসতে থাকে।

শোবার আগে কিছুটা জল খাও। এর থেকে তুমি অনেক বেশি সাহায্য পাবে। এবার যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন ঘুমানোর আগে কয়েক মিনিট ধ্যান কর এবং সেই প্রত্যেকটি জিনিসের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন কর, যা তোমার কাছে বর্তমানে আছে। এবং তুমি তোমার সারাদিনের সেই সমস্ত ভালো কাজগুলোরও চিন্তা করতে পার যা তুমি আজ করেছ।

শোবার আগে একবার এই কথাটাও মনে কর যে তুমি অমর নও, আজই তোমার মৃত্যু হতে পারে। এই চিন্তাভাবনাগুলো করার ফলে তুমি তোমার ছোট খাটো সমস্যাগুলো থেকে হতাশ হওয়া বন্ধ করে দেবে। আর যখন তুমি সকালে ঘুম থেকে উঠবে তোমার দুই হাত একটু ঘষে নিয়ে চোখের উপর রাখবে। এতে তোমার শরীর জাগ্রত হয়ে উঠবে।

এবং সব সময় ডান দিকে পাশ ফিরে ওঠার চেষ্টা কর। সবসময় রাতে তাড়াতাড়ি শোবার চেষ্টা কর। যাতে তুমি সকালে তাড়াতাড়ি এবং তোমার সম্পূর্ণ ঘুম শেষ করেই উঠতে পার। তো এই হলো কিছু প্রক্রিয়া যা প্রয়োগ করার ফলে তুমি নিজের ঘুমকে গভীর এবং আরামদায়ক করতে পারো।

সেই ধনী ব্যক্তি বৌদ্ধ ভিক্ষুকে উনার এই শিক্ষা প্রদানের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন এবং সেখান থেকে বিদায় নিলেন।

20 best motivational quotes in Bengali | শ্রেষ্ঠ অনুপ্রেরণা মূলক উক্তি ও বাণী | motivational status in Bengali


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

‘Freedoms Today’ নামে আমাদের আরেকটি YouTube channel আছে। যেখানে আমরা Network marketing-এর সম্বন্ধে ভিডিও বানিয়ে থাকি। আপনি যদি Network marketing-এর সম্বন্ধে জানতে চান এবং Network marketing শিখতে চান তো এই channel টি follow করতে পারেন। এবং আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে আপনি আমাদের website visit করতে পারেন।

Freedoms Today Website: http://www.freedomstoday.com/

Freedoms Today YouTube channel: https://www.youtube.com/FreedomsToday

Email: freedomstoday1@gmail.com


Read more -




Post a Comment

0 Comments